টেক ডেন্টালে সাশ্রয়ী দাঁত সাদা করার খরচ ও আধুনিক লেজার প্রযুক্তিতে ফিরে পান আপনার উজ্জ্বল হাসি। বিস্তারিত টুথ হোয়াইটেনিং চিকিৎসার খরচ ও অফার জানতে আজই ভিজিট করুন।
একটি সুন্দর এবং উজ্জ্বল হাসি আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন। কিন্তু চা-কফি পানের অভ্যাস, ধূমপান বা বার্ধক্যের কারণে দাঁতে হলদে ভাব চলে এলে তা আমাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। অনেকে জনসমক্ষে হাসতে দ্বিধা বোধ করেন। আমরা জানি এই ছোট একটি সমস্যা আপনার প্রতিদিনের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে। টেক ডেন্টাল-এ আমরা আপনাকে কেবল চিকিৎসা দিই না, আমরা আপনার সেই হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিতে অত্যাধুনিক লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে দাঁত সাদা করার নিশ্চয়তা দিই।
টুথ হোয়াইটেনিং বা দাঁত সাদা করা হলো এমন একটি আধুনিক ডেন্টাল পদ্ধতি যার মাধ্যমে দাঁতের এনামেল থেকে দাগ (Stains) দূর করে দাঁতের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা হয়। এটি মূলত একটি ব্লিচিং প্রক্রিয়া যেখানে নিরাপদ কেমিক্যাল বা লেজার লাইট ব্যবহার করে দাঁতের রঙ কয়েক শেড পর্যন্ত সাদা করা সম্ভব। এটি আপনার দাঁতের কোনো ক্ষতি না করেই কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনাকে দেয় ঝকঝকে হাসি।
দাঁতে হলদে ছোপ বা কালো দাগ থাকলে তা দেখতে অস্বস্তিকর মনে হয়। নিয়মিত ব্রাশ করার পরেও অনেক সময় এই দাগগুলো দূর হয় না। টুথ হোয়াইটেনিং কেবল সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি আপনার ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতারও অংশ।
আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: সাদা ও ঝকঝকে দাঁত আপনার কথা বলার সময় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।
মুখের সৌন্দর্য: সুন্দর হাসি আপনার চেহারার উজ্জ্বলতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
দাগ দূরীকরণ: দীর্ঘদিনের পান, জর্দা বা কফির দাগ লেজার হোয়াইটেনিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত দূর করা সম্ভব।
বিশেষ অনুষ্ঠান: বিয়ে বা কোনো বড় ইভেন্টের আগে দ্রুত লুক পরিবর্তনের সেরা উপায় এটি।
বাংলাদেশে দাঁত সাদা করার খরচ মূলত ব্যবহৃত প্রযুক্তি এবং ডেন্টাল ক্লিনিকের মানের ওপর নির্ভর করে। বাজারের সাধারণ খরচের তুলনায় টেক ডেন্টাল সবসময় গুণগত মান বজায় রেখে সাশ্রয়ী সেবা দিয়ে থাকে।

দাঁতের হলদে ভাব বা দাগ কেবল দেখতে খারাপ লাগে তা নয়, এটি অবহেলা করলে আরও বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের জমানো দাগ অনেক সময় প্লাক বা ক্যালকুলাসে পরিণত হয়।
সামাজিক জড়তা: দাঁত অপরিষ্কার থাকলে মানুষের সাথে কথা বলতে বা হাসতে সামাজিক জড়তা তৈরি হয়।
মাড়ির রোগ: দাঁতের দাগ ও জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া থেকে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া বা পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে।
মুখে দুর্গন্ধ: ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে মুখে স্থায়ী দুর্গন্ধ হতে পারে যা ব্রাশ করলেও যায় না।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক: আমাদের এখানে রয়েছেন অভিজ্ঞ এসথেটিক ডেন্টিস্ট যারা শত শত সফল হোয়াইটেনিং করেছেন।
অত্যাধুনিক লেজার: আমরা লেটেস্ট ইউএস-অ্যাপ্রুভড লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করি, যা সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত।
পরিচ্ছন্নতা: ১০০% জীবাণুমুক্ত পরিবেশে ও ওয়ান-টাইম ইনস্ট্রুমেন্টের মাধ্যমে চিকিৎসা নিশ্চিত করি।
সততা ও স্বচ্ছতা: আমাদের কোনো লুকানো খরচ নেই এবং ব্যবহৃত উপকরণের মান আমরা সবসময় রোগীকে বুঝিয়ে দিই।
| ডাক্তারের নাম | ব্রাঞ্চ/স্থান | দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা |
| ডা. আফসানা হক জ্যোতি | মিরপুর | ৪ বছরের অভিজ্ঞতা, পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিশেষজ্ঞ |
| ডা. আয়শা সিদ্দিকা | মিরপুর | ৮ বছরের অভিজ্ঞতা, এসথেটিক ডেন্টিস্ট্রি এবং ওরাল সার্জারি বিশেষজ্ঞ |
| ডা. সানজিদা ফারাবী | বাড্ডা | ৭ বছরের অভিজ্ঞতা, এন্ডোডনটিক্স বিশেষজ্ঞ |
| ডা. হাসনা হেনা ভূঁইয়া নিশি | যাত্রাবাড়ী | ওরাল সার্জারি ও এসথেটিক ডেন্টিস্ট্রি বিশেষজ্ঞ |
উত্তর: টেক ডেন্টালে দাঁত সাদা করার খরচ মূলত চিকিৎসার পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। আমাদের বেসিক স্কেলিং ও পলিশিং শুরু হয় ১,৫০০ টাকা থেকে এবং প্রফেশনাল লেজার টুথ হোয়াইটেনিং প্যাকেজগুলো গড়ে ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।
উত্তর: না, টেক ডেন্টাল-এ বড় বাজেটের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কিস্তিতে টাকা পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী প্যাকেজ বেছে নিতে পারেন।
উত্তর: একদমই না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে লেজার হোয়াইটেনিং করলে এটি দাঁতের এনামেলের কোনো ক্ষতি করে না। আমরা উন্নত মানের জেল ব্যবহার করি যা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
উত্তর: সঠিক যত্ন নিলে এবং খাওয়ার অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে লেজার হোয়াইটেনিংয়ের প্রভাব ১ থেকে ২ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। নিয়মিত চেক-আপ করলে এই সময় আরও বাড়ানো সম্ভব।
উত্তর: ইন-অফিস লেজার হোয়াইটেনিং সাধারণত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যায়। এক সেশনেই আপনি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।