দাঁতের ফাঁকা নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগছেন? মাত্র এক ঘণ্টারও কম সময়ে আপনার হাসি সুন্দর করতে কম্পোজিট ভিনিয়ার চিকিৎসা করুন। এটি একটি ব্যথামুক্ত পদ্ধতি যা আপনার দাঁতের গঠনকে সুন্দর করে তোলে এবং আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে।
সময়: মাত্র ৩০-৬০ মিনিট।
স্থায়িত্ব: ১০-১৫ বছর।
খরচ: ৩,৫০০ – ৫,০০০ টাকা (প্রতি দাঁত)।
আপনি কি কম খরচে ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসা করতে চাচ্ছেন? দীর্ঘমেয়াদী ব্রেসেস (Braces) ব্যবহারের ঝামেলা ছাড়াই কম্পোজিট ভিনিয়ার চিকিৎসার মাধ্যমে ফাঁকা দাঁতের সমাধান করুন মাত্র ১ ঘণ্টায়। এটি আপনার দাঁতের ফাঁকা বন্ধ করতে এবং ভেঙে যাওয়া দাঁত ঠিক করতে অত্যন্ত কার্যকর।
এই পদ্ধতিতে দাঁতের রঙের সাথে মিল রেখে কম্পোজিট রেজিন ব্যবহার করে দাঁতের ফাঁকা অংশ ভরাট করা হয়। এটি হাসিকে সুন্দর করার সবচেয়ে দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়।
ফলাফল: প্রতিটি দাঁতের জন্য মাত্র ৩০ থেকে ৬০ মিনিট সময় লাগে।
ব্যথামুক্ত: এতে সাধারণত দাঁত কাটার বা ড্রিল করার প্রয়োজন হয় না।
স্থায়িত্ব: সঠিক যত্নে এই ফিলিং ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
বাংলাদেশে ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসার খরচ মূলত উপকরণের গুণমান এবং দাঁতের ফাঁকা কতটুকু তার ওপর নির্ভর করে। নিচে আমাদের স্বচ্ছ মূল্যতালিকা দেওয়া হলো:

বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি দাঁতের ফাঁকা অনেক বেশি হয়, তবে বাড়তি মজবুতের জন্য ‘ফাইবার ভিনিয়ার’ ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা যোগ হতে পারে।
সামনের দুই দাঁতের ফাঁকা (Midline Diastema): সামনের দুটি দাঁতের মাঝের ফাঁকা বন্ধ করতে সাধারণত ২টা ভিনিয়ার প্রয়োজন হয়। এর খরচ পড়বে ৭,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা।
একটি পাশের ফাঁকা: একটি সিঙ্গেল গ্যাপ বন্ধ করতে ১টি ভিনিয়ার লাগে, যার খরচ ৩,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা।
পুরো হাসির কারেকশন: যদি পাশাপাশি ৩টি ফাঁকা থাকে, তবে সুন্দর ফিনিশিংয়ের জন্য ৪টি ভিনিয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এতে খরচ পড়বে ১৪,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা।
১. উপকরণের মান: জাপান বা জার্মানির তৈরি (যেমন: Tokuyama বা 3M) রেজিন ব্যবহার করলে খরচ সামান্য বাড়তে পারে, তবে এটি দেখতে অনেক বেশি প্রাকৃতিক হয়।
২. জটিলতা: ফাঁকা বেশি বড় হলে উপাদানের পরিমাণ এবং চিকিৎসকের নিপুণ কাজের ওপর ভিত্তি করে দাম কম-বেশি হতে পারে।
৩. লোকেশন: ঢাকা (মিরপুর/উত্তরা) বা অন্যান্য এলাকার ক্লিনিকভেদে খরচে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে।
পরামর্শ: প্রথমে আপনার দাঁত পরীক্ষা করে সঠিক শেড নির্বাচন করা হয়।
প্রস্তুতি: দাঁতের উপরিভাগ হালকাভাবে কন্ডিশনিং করা হয় যাতে ফিলিংটি মজবুতভাবে লেগে থাকে।
প্রয়োগ: রেজিন লাগিয়ে শৈল্পিকভাবে আকার দেওয়া হয় এবং স্পেশাল কিউরিং লাইট দিয়ে শক্ত করা হয়।
পালিশিং: সবশেষে দাঁত পালিশ করা হয় যাতে এটি প্রাকৃতিক ও চকচকে দেখায়।
| ডাক্তার | ডাঃ আফসানা হক জ্যোতি | ডাঃ সানজিদা ফারাবী | ডাঃ রোকাইয়া আক্তার | ডাঃ হাসনা হেনা ভূঁইয়া নিশি |
| ব্রাঞ্চ | মিরপুর | বাড্ডা | উত্তরা | যাত্রাবাড়ী |
| পদবি | ব্রাঞ্চ ইন-চার্জ | সিনিয়র ডেন্টাল সার্জন | স্পেশালিস্ট সার্জন | এক্সপার্ট ডেন্টাল সার্জন |
| অভিজ্ঞতা | ৪ বছর | ৭ বছর | ৩ বছর | ৩ বছর |
| বিশেষ দক্ষতা | এসথেটিক ও পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি | কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডনটিক্স | এসথেটিক ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি | এসথেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও ওরাল সার্জারি |
দাঁতের এক পাশের ফাঁকা পূরণে খরচ ৳৩,৫০০–৳৫,০০০ এবং সামনের মাঝখানের বড় ফাঁকার (Midline Diastema) জন্য ৳৭,০০০–৳১০,০০০ লাগে; তবে বড় গ্যাপের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফাইবার উপাদানের জন্য আরও ৳৩,০০০ যোগ হতে পারে।
এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত পদ্ধতি যাতে কোনো ড্রিলিং বা দাঁত কাটার প্রয়োজন হয় না এবং প্রতি দাঁতের চিকিৎসায় মাত্র ৩০–৬০ মিনিট সময় লাগে।
সামান্য ফাঁকার জন্য সাধারণ কম্পোজিট রেজিন ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বড় ফাঁকা পূরণে বাড়তি স্থায়িত্ব ও মজবুত বন্ধনের জন্য ফাইবার ভিনিয়ার ব্যবহার করা হয়।
সঠিকভাবে যত্ন নিলে এবং নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার রাখলে এই কম্পোজিট ফিলিং সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
হ্যাঁ, ৩টি বা তার বেশি ফাঁকা দাঁতের জন্য ‘ফুল স্মাইল কারেকশন’ প্যাকেজে ৪টি ভিনিয়ার ব্যবহার করা হয়, যার খরচ সাধারণত ৳১৪,০০০ থেকে ৳২০,০০০ এর মধ্যে।