আপনার কি দাঁত হলদে হয়ে যাচ্ছে বা মুখে কি সবসময় দুর্গন্ধ থাকে? নিয়মিত ব্রাশ করার পরেও দাঁতে এক ধরনের শক্ত আস্তর বা পাথর জমে যায়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ক্যালকুলাস’ বলা হয়। এই পাথর সাধারণ ব্রাশে পরিষ্কার হয় না।
টেক ডেন্টাল (Tech Dental) দিচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে সাশ্রয়ী দাত স্কেলিং এর খরচ এবং বিশ্বমানের সেবা। আমাদের অত্যাধুনিক স্কেলিং ও পলিশিং প্যাকেজ আপনার মাড়িকে রাখবে সুরক্ষিত এবং হাসি করবে উজ্জ্বল।
গভীর পরিষ্কার: দাঁতের ওপরের এবং মাড়ির নিচের জমে থাকা শক্ত পাথর দূর করে।
পলিশিং সুবিধা: স্কেলিংয়ের পর আমরা দাঁত পলিশ করি, যা দাঁতের দাগ দূর করে এবং দাঁতকে মসৃণ রাখে।
মাড়ির সুরক্ষা: মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া এবং জিঞ্জিভাইটিস প্রতিরোধ করে।
দুর্গন্ধ মুক্তি: মুখের ভেতর দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি দূর করে।
আমাদের এখানে ১,৪৫০টিরও বেশি পজিটিভ গুগল রিভিউ রয়েছে। আমরা ব্যবহার করি:
১. আল্ট্রাসনিক টেকনোলজি: দাঁতের এনামেলের কোনো ক্ষতি না করেই পাথর পরিষ্কার করা হয়।
২. দাগ দূর করা: চা, কফি বা তামাকের জেদি দাগ আমরা প্রফেশনাল পলিশিংয়ের মাধ্যমে দূর করি।
৩. অভিজ্ঞ ডাক্তার: আমাদের মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডা এবং যাত্রাবাড়ী ব্রাঞ্চে রয়েছেন বিশেষজ্ঞ ডেন্টিস্টগণ।
আমরা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে উন্নত ডেন্টাল সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করি। টেক ডেন্টালের বর্তমান মূল্য তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
| সেবার ধরণ | মূল্য (টাকা) |
| আল্ট্রাসনিক স্কেলিং (পুরো মুখ) | ৳১,৯৯০ |
| অ্যাডভান্সড স্কেলিং ও পলিশিং | ৳৩,৫০০ |
| ডিপ রুট প্ল্যানিং (প্রতি চতুর্থাংশ) | ৳২,৫০০ |
নোট: দাঁতের পাথর বা সমস্যার ওপর ভিত্তি করে দাত স্কেলিং এর খরচ কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।
সময়: ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট।
রিকভারি: চিকিৎসা শেষ করেই আপনি স্বাভাবিক খাবার খেতে পারবেন।
পরামর্শ: প্রতি ৬ মাস অন্তর একবার স্কেলিং করা ভালো।
প্রাথমিক মূল্যায়ন (Assessment): আপনার দাঁত এবং মাড়ির অবস্থা দ্রুত পরীক্ষা করে নেওয়া।
আল্ট্রাসনিক স্কেলিং (Ultrasonic Scaling): ভাইব্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাঁতের পাথর (Tooth Stone) দূর করা। এটি অধিকাংশ মানুষের জন্য ব্যথামুক্ত এবং সেনসিটিভ দাঁতের জন্য বেশ আরামদায়ক।
পলিশিং (Polishing): চা বা কফির দাগ দূর করতে এবং দাঁতের এনামেল মসৃণ করতে পলিশিং করা হয়।
ফাইনাল রিঞ্জ (Final Rinse): দাঁত পরিষ্কারের পর সতেজ ও ফ্রেশ অনুভূতির জন্য একটি রিফ্রেশিং ওয়াশ।
একটি সুস্থ হাসির জন্য প্রস্তুত তো? বাংলাদেশে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে দাঁত স্কেলিং (teeth scaling) করতে চলে আসুন টেক ডেন্টালে (Tech Dental)। আপনি যদি ঢাকার মধ্যে সেরা ডেন্টাল কেয়ার খুঁজে থাকেন, তবে প্রফেশনাল টিথ ক্লিনিংয়ের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের ওপর আস্থা রাখুন। আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন আজই!
| ডাক্তার | ব্রাঞ্চ | দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা |
| ডা. আফসানা হক জ্যোতি | মিরপুর | ৪ বছরের অভিজ্ঞতা, পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিশেষজ্ঞ। |
| ডা. সানজিদা ফারাবী | বাড্ডা | ৭ বছরের অভিজ্ঞতা, এন্ডোডনটিক্স বিশেষজ্ঞ। |
| ডা. রোকেয়া আক্তার | উত্তরা | ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিশেষজ্ঞ। |
| ডা. হাসনা হেনা ভূঁইয়া নিশি | যাত্রাবাড়ী | ওরাল সার্জারি ও এসথেটিক ডেন্টিস্ট্রি বিশেষজ্ঞ। |
১. বাংলাদেশে দাঁতের স্কেলিং করাতে কত খরচ হয়?
বাংলাদেশে পেশাদার দাঁতের স্কেলিংয়ের খরচ সাধারণত ৯০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তবে Tech Dental-এ বিশেষ প্যাকেজের আওতায় এই খরচ চিকিৎসার জটিলতা অনুযায়ী ১,৯৯০ টাকা থেকে ৩,৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
২. স্কেলিং এবং রুট প্ল্যানিংয়ের (Root Planing) মধ্যে পার্থক্য কী?
স্কেলিং: এটি একটি রুটিন ক্লিনিং পদ্ধতি যা দাঁতের পৃষ্ঠ এবং মাড়ির নিচের প্লাক ও টারটার (পাথর) পরিষ্কার করে।
রুট প্ল্যানিং: এটি মূলত একটি “ডিপ ক্লিন” পদ্ধতি যেখানে দাঁতের শিকড় মসৃণ করা হয় যাতে মাড়ি আবার দাঁতের সাথে শক্তভাবে লেগে থাকতে পারে। মাড়ির রোগ (পিরিওডন্টাইটিস) থাকলে সাধারণত ডাক্তাররা এই পরামর্শ দেন।
৩. দাঁতের স্কেলিং কি যন্ত্রণাদায়ক? আমার কি অ্যানেস্থেশিয়ার প্রয়োজন আছে?
অধিকাংশ মানুষের জন্য স্কেলিং সামান্য অস্বস্তিকর বা দাঁতে ঘষার মতো অনুভূতি হতে পারে, তবে এটি খুব বেশি যন্ত্রণাদায়ক নয়। তবে আপনার দাঁত যদি বেশি সংবেদনশীল হয় বা ‘ডিপ রুট প্ল্যানিং’-এর প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ডেন্টিস্ট লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া বা নাম্বিং জেল ব্যবহার করে পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত করতে পারেন।
৪. বাংলাদেশে স্কেলিং এবং পলিশিংয়ের সম্মিলিত খরচ কত?
ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোর প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে সাধারণত এর খরচ ১,০০০ টাকা থেকে ৩,৫০০ টাকার মতো হয়। ক্লিনিকের সুনাম, দাঁতে পাথরের পরিমাণ এবং ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির (যেমন- আল্ট্রাসনিক টুলস) ওপর ভিত্তি করে এই দাম কম-বেশি হতে পারে।
৫. স্কেলিং করলে কি এনামেলের ক্ষতি হয় বা দাঁত আলগা হয়ে যায়?
না। পেশাদার স্কেলিংয়ে আল্ট্রাসনিক ভাইব্রেশন বা বিশেষ টুলস ব্যবহার করা হয় যা এনামেলের ক্ষতি না করেই শক্ত পাথর বা টারটার পরিষ্কার করে। স্কেলিংয়ের পর যদি দাঁত আলগা মনে হয় বা দাঁতের মাঝে ফাঁকা দেখা যায়, তবে বুঝতে হবে পাথর জমার কারণে আগে থেকেই মাড়ির ক্ষতি হয়েছিল। পাথর সরিয়ে ফেলায় সেই ক্ষতি বা ফাঁকা অংশগুলো দৃশ্যমান হয় মাত্র।
৬. কতদিন পর পর স্কেলিং এবং পলিশিং করানো উচিত?
মুখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ডেন্টিস্টরা সাধারণত প্রতি ৬ থেকে ১২ মাস অন্তর স্কেলিং করার পরামর্শ দেন। তবে আপনার যদি মাড়ির রোগের ইতিহাস থাকে বা দাঁতে দ্রুত দাগ পড়ে, তবে সংক্রমণ রোধে প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস অন্তর চেকআপ করানো ভালো।
৭. স্কেলিং করার পর কোন কোন খাবার বা কাজ এড়িয়ে চলা উচিত?
খাবার: দাঁত সংবেদনশীল মনে হলে ২৪-৪৮ ঘণ্টা খুব গরম, খুব ঠান্ডা, ঝাল বা অ্যাসিডিক (টক) খাবার এড়িয়ে চলুন।
দাগ: স্কেলিংয়ের কার্যকারিতা বজায় রাখতে অন্তত ২৪ ঘণ্টা চা, কফি বা ধূমপান থেকে বিরত থাকুন, কারণ এগুলো দাঁতে দ্রুত দাগ ফেলে।
যত্ন: হালকা সংবেদনশীলতার কারণে ব্রাশ করা বন্ধ করবেন না; আলতোভাবে নিয়মিত ব্রাশ ও ওরাল হাইজিন বজায় রাখুন।
৮. স্কেলিং কি দাঁত সাদা করে?
স্কেলিং আসলে দাঁত সাদা করার (Whitening) কোনো চিকিৎসা নয়। এটি কেবল দাঁতের উপরের জমে থাকা দাগ (চা, কফি বা ধূমপানের দাগ) এবং হলদেটে পাথর দূর করে। এর ফলে দাঁত দেখতে আগের চেয়ে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল মনে হয়। তবে এটি কেমিক্যাল ব্লিচিংয়ের মতো দাঁতের প্রাকৃতিক অভ্যন্তরীণ রঙ পরিবর্তন করে না।