সাশ্রয়ী ব্রেসেস ট্রিটমেন্ট খরচ ও কিস্তি সুবিধাসহ দাঁত সোজা করুন টেক ডেন্টালে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হাসি ফিরে পেতে আজই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
সুন্দর ও গোছানো একপাটি দাঁত কেবল আপনার সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং আপনার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমরা জানি, আঁকাবাঁকা বা ফাঁকা দাঁতের কারণে অনেকেই জনসম্মুখে হাসতে দ্বিধাবোধ করেন। আপনার এই সমস্যার একটি স্থায়ী এবং বিজ্ঞানসম্মত সমাধান হলো ব্রেসেস ট্রিটমেন্ট। টেক ডেন্টালে আমরা অত্যন্ত যত্ন সহকারে এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনার হাসিকে নিখুঁত করার দায়িত্ব গ্রহণ করি।
ব্রেসেস হলো দাঁতের একটি বিশেষ চিকিৎসা যা আঁকাবাঁকা, উঁচু-নিচু বা অতিরিক্ত ফাঁকা দাঁতকে নির্দিষ্ট চাপে সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনে। এই প্রক্রিয়ায় দাঁতের ওপর মেটাল বা সিরামিকের ব্র্যাকেট বসানো হয় এবং একটি সরু তারের সাহায্যে দাঁতগুলোকে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত শেপে আনা হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদী হলেও দাঁতের সঠিক গঠন ও কার্যকারিতার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
দাঁতের গঠন ঠিক করার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ব্রেসেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি করা হয় সাধারণত:
আঁকাবাঁকা বা ক্রাউডেড দাঁত সোজা করতে।
দাঁতের মধ্যকার অতিরিক্ত ফাঁকা জায়গা বন্ধ করতে।
উপরের ও নিচের পাটির দাঁতের কামড় বা ‘বাইট’ (Bite) ঠিক করতে।
উঁচু দাঁতকে সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে এনে চেহারার ভারসাম্য রক্ষা করতে।
দাঁত পরিষ্কার রাখা সহজ করতে, যা মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।
বাংলাদেশে ব্রেসেস চিকিৎসার খরচ সাধারণত ক্লিনিকের মান, ব্যবহৃত ব্রেসেসের ধরণ (মেটাল, সিরামিক বা ইনভিজিলাইন) এবং কেসের জটিলতার ওপর নির্ভর করে। টেক ডেন্টালে আমরা মানসম্মত চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীদের বাজেটের কথা মাথায় রেখে বিশেষ অফার প্রদান করি।
| চিকিৎসার ধরণ | বাংলাদেশে সাধারণ খরচ | টেক ডেন্টালের খরচ |
| মেটাল ব্রেসেস (Traditional Metal Braces) | ৳৫০,০০০ – ৳৮০,০০০ | ৳৪০,০০০ – ৳৭০,০০০ |
| সিরামিক ব্রেসেস (Ceramic Braces) | ৳৭০,০০০ – ৳১,১০,০০০ | ৳৫০,০০০ – ৳৯০,০০০ |
| লিঙ্গুয়াল ব্রেসেস (Lingual Braces) | ৳১,৫০,০০০ – ৳২,০০,০০০ | ৳১,২০,০০০ – ৳১,৫০,০০০ |
ব্রেসেস ট্রিটমেন্ট একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, তাই আমরা আপনার ওপর আর্থিক চাপ কমাতে দিচ্ছি সহজ কিস্তি সুবিধা। টেক ডেন্টালে আপনি মাত্র ২৫,০০০ টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে আপনার ব্রেসেস যাত্রা শুরু করতে পারবেন। বাকি টাকা অত্যন্ত সহজ শর্তে প্রতি মাসে মাত্র ৬,০০০ টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ থাকছে।

অনেকেই মনে করেন ব্রেসেস কেবল সৌন্দর্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা না করালে ভবিষ্যতে বড় ধরণের ডেন্টাল সমস্যা হতে পারে। যেমন:
দাঁত আঁকাবাঁকা থাকলে ব্রাশ ঠিকমতো পৌঁছায় না, ফলে দ্রুত ক্যাভিটি ও দাঁত ক্ষয় শুরু হয়।
মাড়িতে প্রদাহ বা পেরিওডন্টাল রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
খাবার চিবানোতে সমস্যা হয়, যা থেকে হজমের সমস্যা হতে পারে।
কথা বলার সময় স্পষ্ট উচ্চারণে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
দাঁতের অসম অবস্থানের কারণে চোয়ালের হাড়ে ব্যথা বা টিএমজে (TMJ) সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অভিজ্ঞ অর্থোডন্টিস্ট: আমাদের এখানে অভিজ্ঞ ও বিএমডিসি রেজিস্টার্ড বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা চিকিৎসা প্রদান করেন।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি: সঠিক ডায়াগনোসিসের জন্য আমরা লেটেস্ট ডিজিটাল এক্স-রে ও ইমেজিং সিস্টেম ব্যবহার করি।
শতভাগ জীবাণুমুক্ত পরিবেশ: আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতিটি যন্ত্রাংশ স্টেরিলাইজেশন নিশ্চিত করি।
ব্যক্তিগত যত্ন ও ফলো-আপ: প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা ট্রিটমেন্ট প্ল্যান এবং নিয়মিত ফলো-আপ সেশনের মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল নিশ্চিত করা হয়।
ব্রেসেস বা অর্থোডন্টিক ট্রিটমেন্ট একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং সূক্ষ্ম চিকিৎসা পদ্ধতি, যার সফলতার জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও বিশেষজ্ঞ দক্ষতা। টেক ডেন্টাল-এ এই বিভাগের নেতৃত্বে আছেন দেশের অন্যতম মেধাবী অর্থোডন্টিস্ট:
ডা. মো. আশরাফুল হাশেম জনি অর্থোডন্টিস্ট (ব্রেসেস বিশেষজ্ঞ) – টেক ডেন্টাল
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিডিএস (সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ)।
উচ্চতর ডিগ্রি: এমএস (অর্থোডন্টিকস), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)।
বিশেষজ্ঞতা: অর্থোডন্টিক ট্রিটমেন্ট বা দাঁত সোজা করার চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শী।
অভিজ্ঞতা: এই ক্ষেত্রে তার ০৭ বছরেরও বেশি নিবিড় কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
কর্মস্থল: বর্তমানে তিনি টেক ডেন্টাল-এর মিরপুর, উত্তরা এবং বাড্ডা শাখায় নিয়মিত রোগী দেখছেন।
বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নং: ৮৭৪২
উত্তর: বাংলাদেশে ব্রেসেসের ধরণ অনুযায়ী খরচ সাধারণত ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে টেক ডেন্টালে আমরা কিস্তি সুবিধাসহ সাশ্রয়ী মূল্যে এই সেবা দিচ্ছি।
উত্তর: প্রথম সেশনে ব্র্যাকেট বসাতে সাধারণত ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে সম্পূর্ণ চিকিৎসা শেষ হতে দাঁতের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ১২ মাস থেকে ২৪ মাস সময় লাগতে পারে।
উত্তর: ব্রেসেস লাগানোর সময় কোনো ব্যথা হয় না। তবে লাগানোর পর প্রথম কয়েকদিন দাঁতে সামান্য চাপ বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে, যা খুব দ্রুত ঠিক হয়ে যায়।
উত্তর: ব্রেসেস থাকা অবস্থায় খুব শক্ত খাবার (যেমন- হাড়, শক্ত চকোলেট) বা আঠালো খাবার (যেমন- চুইংগাম) এড়িয়ে চলা ভালো। নরম ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
উত্তর: ব্রেসেস লাগানোর আদর্শ সময় হলো ১০ থেকে ১৪ বছর বয়স। তবে আধুনিক ডেন্টিস্ট্রিতে যেকোনো বয়সেই (প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও) ব্রেসেস চিকিৎসা সফলভাবে করা সম্ভব।
ক্লিনিক খোলার সময়
Tech Dental © 2025 | Developed by TechBindu