Largest Dental Chain in Bangladesh

Largest Dental Chain in Bangladesh

১ দিনে কম খরচে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসা

ফাইবার ব্রিজ একটি জনপ্রিয় নন-সার্জিক্যাল পদ্ধতি যা আপনাকে নতুন দাঁত লাগাতে সাহায্য করে। এটি ১ দিনে সহজে, কম খরছে, ব্যথা ছাড়াই করা যায়।

আমাদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে অথবা এক্সিডেন্টে দাঁত ভেঙে যায় অথবা দাঁত উঠে যায়। এর ফলে খাওয়া দাওয়া নিয়ে এবং মুখের সৌন্দর্য নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় ভাবি। এবং আমরা চিন্তা করি যে যদি কৃত্রিম উপায়ে আমাদের এই দাঁতগুলো লাগানো যেত তাহলে খুব ভালো হতো তাই আজ আমরা বলব নকল দাঁত লাগানোর অথবা নতুন দাঁত বাঁধানোর উপায় ও খরচ সম্পর্কে। যদি আপনি নতুন দাঁত লাগানোর সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, চলুন তাহলে কথা না বাড়ি মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

Best fiber bridge treatment in Dhaka

ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার সুবিধা গুলো কি কি?

ফাইবার ব্রিজের কিছু সুবিধা:

১. ব্যাথা মুক্ত:

  • ফাইবার ব্রিজে পদ্ধতিতে চিকিৎসায় কোন ব্যথা বা অস্বস্তি নেই
  • পাশের কোন ভাল দাঁত কাটার প্রয়োজন পড়ে না

২. দ্রুত:

৩. সহজ:

  • ফাইবার ব্রিজের চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ এবং অল্প সময়ে করা সম্ভব।

৪. সাশ্রয়ী:

৫. স্থায়ী:

  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ যত্ন নিলে অনেক সময় ধরে এই চিকিৎসাটির স্থায়িত্ব থাকে।

৬. সৌন্দর্যবোধ:

  • ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসায় লাগানো নতুন দাতটি দেখতে অন্যান্য ন্যাচারাল দাঁতের মতোই মনে হয়

ক্যাপ ব্রিজ এবং ফাইবার ব্রিজের মধ্যে পার্থক্য কি কি?

difference between cap bridge and fiber bridge

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকাল কতদিনের?

সাধারণভাবে, ফাইবার ব্রিজ সঠিক যত্নের সাথে ১০-১৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট এবং ফাইবার ব্রিজের মধ্যে পার্থক্য কি কি?

dental implant vs fiber bridge

ফাইবার ব্রিজের চিকিৎসার খরচ কত?

বাংলাদেশে চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা, দাঁতের অবস্থান ও ক্লিনিকের লোকেশন ভেদে ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার খরচ ৳ ২০,০০০ থেকে ৳ ৩০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে।

কিছু টিপস যা ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করতে পারে:


নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং:

  • এটি মাড়ির রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং ব্রিজের চারপাশে ব্যাকটেরিয়া জমা হওয়া রোধ করবে।


নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ:

  • এটি ব্রিজের অবস্থা পরীক্ষা করতে এবং সম্ভাব্য সমস্যাগুলি দ্রুত শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।


কঠিন খাবার এড়িয়ে চলা:

  • কঠিন খাবার ব্রিজের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং এটি ভেঙে যেতে পারে।


ধূমপান ত্যাগ করা:

  • ধূমপান মাড়ির রোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং ব্রিজের স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়।

ফাইবার ব্রিজের যত্ন কিভাবে নিতে হয়?

ফাইবার ব্রিজ দীর্ঘস্থায়ী এবং সুন্দর হাসি বজায় রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং:

  • দিনে দুবার, ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে ব্রিজ এবং আপনার প্রাকৃতিক দাঁত ব্রাশ করুন।
  • ব্রিজের চারপাশে এবং নীচে প্লেক এবং ব্যাকটেরিয়া জমা রোধ করতে প্রতিদিন ফ্লস করুন।

নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ:

  • প্রতি ৬ মাস অন্তর নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপের জন্য যান।
  • দাঁতের ডাক্তার ব্রিজ পরীক্ষা করবেন এবং সম্ভাব্য সমস্যাগুলি দ্রুত শনাক্ত করবেন।

কঠিন খাবার এড়িয়ে চলা:

  • বাদাম, বরফ, কঠিন মিষ্টান্ন ইত্যাদি কঠিন খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • এই খাবারগুলি ব্রিজ ভেঙে ফেলতে পারে।

ধূমপান ত্যাগ করা:

  • ধূমপান মাড়ির রোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং ব্রিজের স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়।
  • ধূমপান ত্যাগ করা আপনার ব্রিজ এবং আপনার সামগ্রিক মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

অন্যান্য টিপস:

  • ব্রিজের উপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • নিয়মিত মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।অ্যাসিডযুক্ত খাবার ও পানীয় সীমিত করুন।
  • রাতে ব্রাশ করার পর ফ্লোরাইডযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।

আপনার ফাইবার ব্রিজের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

মনে রাখবেন, নিয়মিত যত্ন আপনার ফাইবার ব্রিজকে দীর্ঘস্থায়ী এবং সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে।

ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসা বিষয়ক কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর:

ফাইবার ব্রিজ হলো হারানো দাঁত প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি নন-সার্জিকাল বিকল্প। এটি গ্লাস ফাইবার এবং কম্পোজিট দিয়ে তৈরি, যা ন্যাচারাল দাঁতের মতই দেখতে লাগে।

যাদের একটি দাঁত নেই এবং পাশে ন্যাচারাল দাঁত আছে। যারা দাঁত রুট ক্যানেল করতে চাচ্ছেন না।

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না। পাশের দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না। মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসা সম্পন্ন করা যায়। চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যাথামুক্ত।

স্থায়িত্ব: তুলনামূলক কম স্থায়ী, ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।
ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা: ক্যাপ ব্রিজের তুলনায় ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং: দিনে দুবার ব্রাশ করুন এবং একবার ফ্লস করুন।
নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ: প্রতি ৬ মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যান।
কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন: বরফ, বাদাম, এবং কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন।

ব্রিজের অবস্থান এবং ডেন্টিস্টের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে খরচ পরিবর্তিত হয়। ৳ ৩০,০০০ – ৳ ৮০,০০০ পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
তবে, টেক ডেন্টালে এই চিকিৎসার খরচ ৳ ৩০,০০০

যত্ন এবং ব্যবহারের উপর নির্ভর করে স্থায়িত্ব পরিবর্তিত হয়। সাধারনত ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।

ক্যাপ ব্রিজ: দীর্ঘস্থায়ী এবং কম ব্যয়বহুল, কিন্তু ন্যাচারাল দাঁতকে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং কাটতে হয়।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট: দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প, কিন্তু সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল এবং সার্জারির প্রয়োজন।

ডেন্টিস্টের সাথে কনসাল্টেশন: আপনার জন্য ফাইবার ব্রিজ উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করবেন।
দাঁতের শিকড় তোলা: ফাঁকা স্থানে যদি আগের দাঁতের শিকড় রয়ে যায় তবে তা আগে তুলতে হবে। এবং ৭-১৪ দিন পরে ঘা শুকালে উক্ত স্থানে ফাইবার ব্রিজ করা যাবে।

তৎক্ষণ ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
ডেন্টিস্ট ব্রিজ মেরামত করবেন অথবা প্রতিস্থাপন করবেন।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে। আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন ফাইবার ব্রিজ আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করতে।

আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝে বড় ফাঁকা থাকে অর্থাৎ দাঁত না থাকে ,আপনি এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হন এবং নতুন দাঁত লাগাতে বা বাধাতে চান,তাহলে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনাকে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসার বিকল্প সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারবেন।

ফাইবার ব্রিজ পদ্ধতিতে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসার জন্য টেক ডেন্টাল এর মত ডেন্টাল ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের ঢাকায় মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী মালিবাগের শাখা রয়েছে । যোগাযোগের নাম্বারঃ ০৯৬৩৮-০০০৫০৫