Largest Dental Chain in Bangladesh

Largest Dental Chain in Bangladesh

ফাইবার ব্রিজ হচ্ছে সম্পুর্ন ব্যাথামুক্ত ভাবে নতুন দাঁত প্রতিস্থাপন এর চিকিৎসা পদ্ধতি। ফাইবার ব্রিজের মাধ্যমে দাঁত প্রতিস্থাপন এর জন্য পাশের কোনো ভাল দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না বা কাঁটতে হয়।

কথায় আছে “দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম” বুঝতে হয়, নইলেই বিপদ। তবে অধিকাংশ মানুষই সময় থাকতে দাঁতের যত্ন নেন না। আর নেয় না বলেই অকালে দাঁত পরে যায়, তখন দেখতে যেমন অসুন্দর লাগে তেমনি খেতেও সমস্যায় পরতে হয়। আর এই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে ফাইবার ব্রিজ নামক এক আধুনিক চিকিৎসা যা একদিনেই ব্যাথামুক্ত ভাবে এবং কম খরচে করা সম্ভব। এতে যেমন মুখের দাঁতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় তেমনি সহজে খাবার খেতে সাহায্য করে। 

নতুন দাঁত লাগানোর ক্ষেত্রে ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার সুবিধা গুলো কি কি? 

ফাইবার ব্রিজের সুবিধা:

দ্রুত প্রক্রিয়া:

  • একই দিনে স্থাপন করা সম্ভব
  • রোগীর অসুবিধার সময় কমিয়ে দেয়
  • দীর্ঘ অপেক্ষার সময় বা একাধিক অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন নেই

ন্যাচারাল ইন্টিগ্রেশন:

  • দাঁতের সাথে সহজে মিশে যায়
  • দেখতেও প্রাকৃতিক

অন্যান্য সুবিধা:

  • হালকা এবং আরামদায়ক
  • স্থাপন করা সহজ
  • অস্বস্তি কম করে
  • অন্যান্য ব্রিজের চেয়ে কম খরচে স্থাপন করা হয়

দ্রুততা:

  • টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী
  • অন্যান্য ব্রিজের তুলনায় দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকে
  • ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম

কার্যকারিতা:

  • এক বা একাধিক অনুপস্থিত দাঁত প্রতিস্থাপন করতে ব্যবহার করা যেতে পারে

বায়োকেমিস্ট্রি:

  • জৈব-সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • দেহের সাথে মিশে যায়
  • অ্যালার্জির ঝুঁকি কম
  • অন্যান্য ব্রিজের তুলনায় নিরাপদ

সহজ রক্ষণাবেক্ষণ:

  • নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং দিয়ে সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়
  • ঐতিহ্যবাহী ব্রিজের তুলনায় পরিষ্কার করা সহজ এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়

ফাইবার ব্রিজের সারসংক্ষেপ:

  • দ্রুত স্থাপন করা যায়
  • প্রাকৃতিক দেখায়
  • আরামদায়ক
  • কম খরচে স্থাপন করা যায়
  • দীর্ঘস্থায়ী
  • নিরাপদ
  • রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ

ফাইবার ব্রিজ  আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা জানতে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকাল কতদিনের?

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্ব:

সঠিক যত্নের সাথে, ফাইবার ব্রিজ সাধারণত ১০-১৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, এটি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করে এমন বিষয়গুলি:

  • রোগীর মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি: নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং ব্রিজের দীর্ঘায়ু বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
  • ব্রিজের উপর চাপ: ব্রিজের উপর অতিরিক্ত চাপ, যেমন দাঁত grinding বা কঠিন খাবার খাওয়া, এটিকে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
  • ব্রিজের উপাদান: উচ্চ-মানের উপাদান দিয়ে তৈরি ব্রিজগুলি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
  • দাঁতের ডাক্তারের দক্ষতা: ব্রিজ স্থাপনের দক্ষতাও এর স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করে।

ফাইবার ব্রিজের দীর্ঘায়ু বৃদ্ধির জন্য টিপস:

  • নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং করুন।
  • নিয়মিত দাঁতের চেক-আপ এবং পরিষ্কার করুন।
  • কঠিন খাবার খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন।
  • দাঁত grinding এড়াতে রাতের mouthguard ব্যবহার করুন।
  • ধূমপান ত্যাগ করুন, কারণ এটি ব্রিজের ক্ষতি করতে পারে।

আপনার ফাইবার ব্রিজ যত্ন সহকারে ব্যবহার করলে দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকবে।

fibre bridge treatment Mirpur

প্রচলিত ক্যাপ ব্রিজ ও ফাইবার ব্রিজের পার্থক্যঃ

ক্যাপ ব্রিজ ফাইবার ব্রিজের

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয়

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না।

পাশের ভালো দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয়।

পাশের ভালো দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না।

৩/৪ ভিজিট ডেন্টাল ক্লিনিকে আসতে হয়।

মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসাটি করা যায়।

তুলনামূলক কম কালার ম্যাচিং হয়।

 বেশী কালার ম্যাচিং হয়।

পোর্সেলিন ধাতু দিয়ে ক্যাপ তৈরি করা হয়।

গ্লাস ফাইবার ও কম্পোজিট দিয়ে ফাইবার ব্রিজ তৈরী করা হয়।

 তুলনামূলক কম আরামদায়ক।

তুলনামূলক বেশী আরামদায়ক।

তুলনামূলক বেশী স্থায়ী (১৫-২০ বছর)।

তুলনামূলক কম স্থায়ী (১০-১৫ বছর)।

চিকিৎসাটি সম্পূর্ন ব্যথামুক্ত নয়।

 চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত।

এই পদ্ধতিতে পাশাপাশি থাকা একাধিক মিসিং দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।

এই পদ্ধতিতে ১ টি মাত্র মিসিং দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।

 সামনের দাঁতের ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং দাঁতকে কেটে ছোট করতে হয়।

সামনের ক্ষেত্রে দাঁতকে কোনো প্রকার কাটাকাটি করতে হয় না।

 মাড়ির দাঁতের ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং দাঁতকে কেটে ছোট করতে হয়।

মাড়ির দাঁতের ক্ষেত্রে ফাইবার বসানোর জন্য দাঁতকে অল্প পরিমান কাটতে হয়, এত অল্প কাটা হয় যতটুকু কাটলে রোগী কোনো ব্যথা পায় না।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট ও ফাইবার ব্রিজের পার্থক্যঃ

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট ফাইবার ব্রিজের

সার্জিকাল পদ্ধতিতে টাইটানিয়াম স্ক্রু চোয়ালে বসিয়ে নতুন দাঁত লাগানো হয়।

ননসার্জিকাল পদ্ধতিতে গ্লাস ফাইবার ও কম্পোজিট দিয়ে ফাইবার ব্রিজ তৈরী করা হয়।

পাশের দাঁতের সাপোর্ট এর প্রয়োজন হয় না সরাসরী চোয়ালে স্ক্রু বসিয়ে দাঁত লাগানো হয়।

পাশের দাঁতের সাপোর্ট এর প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসার জন্য ৩-৬ মাস সময় এবং ৩-৪ টা ভিজিট প্রয়োজন।

মাত্র ১ ভিজিট এবং ১-২ ঘন্টায় চিকিৎসাটি করা সম্ভব।

 তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যয়বহুল।

তুলনামূলক ভাবে কম ব্যয়বহুল।

দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

তুলনামূলক ভাবে কম দীর্ঘস্থায়ী (১০-১৫ বছর)।

সার্জারি প্রয়োজন।

সার্জারি প্রয়োজন নেই।

আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝে বড় ফাঁকা থাকে,আপনি এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হন এবং নতুন দাঁত লাগাতে বা বাধাতে চান,তাহলে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনাকে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসার বিকল্প সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারবেন।

ফাইবার ব্রিজ পদ্ধতিতে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসার জন্য টেক ডেন্টাল এর মত ডেন্টাল ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের ঢাকায় মিরপুরউত্তরাবাড্ডাযাত্রাবাড়ী ও মালিবাগের শাখা রয়েছে । যোগাযোগের নাম্বারঃ ০৯৬৩৮-০০০৫০৫