Largest Dental Chain in Bangladesh

Largest Dental Chain in Bangladesh

সামনে ২ দাঁতের মাযে ১ দিনে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসা ও খরচ

২ দাঁতের মাঝে গ্যাপ থাকলে ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার মাধ্যমে কম খরচে ১ দিনে নতুন দাঁত লাগানো সম্ভব। এই পদ্ধতিতে পাশের দাঁত কাটার প্রয়োজন হয় না।

ফাইবার ব্রিজ হলো অনুপস্থিত দাঁত প্রতিস্থাপনের জন্য দীর্ঘস্থায়ী সমাধান। এটি কৃত্রিম দাঁত যা আপনার প্রাকৃতিক দাঁতের সাথে সংযুক্ত থাকে। এক বা একাধিক দাঁত প্রতিস্থাপনের জন্য এটি ব্যবহার করা যায়।

ফাইবার ব্রিজের সুবিধা:

  • দীর্ঘস্থায়ী: ফাইবার ব্রিজ দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।
  • দৃঢ়: ফাইবার ব্রিজ শক্তিশালী এবং টেকসই।
  • স্বাভাবিক চেহারা: ফাইবার ব্রিজ দাঁতের সাথে মিশে যায় এবং স্বাভাবিক দাঁতের মতো দেখায়।
  • আরামদায়ক: ফাইবার ব্রিজ ব্যবহারে আরামদায়ক।
  • দ্রুত প্রক্রিয়া: একদিনে ফাইবার ব্রিজ স্থাপন করা সম্ভব।

ফাইবার ব্রিজের অসুবিধা:

  • খরচ: ফাইবার ব্রিজ অন্যান্য ব্রিজের তুলনায় বেশি ব্যয়বহুল হতে পারে।
  • সব ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়: ফাইবার ব্রিজ সব ধরণের দাঁতের জন্য উপযুক্ত নয়।

ফাইবার ব্রিজ আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করতে একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

দুই দাঁতের মাঝে গ্যাপ কেন হয়?

দুই দাঁতের মাঝে গ্যাপ হওয়ার বেশ কিছু কারণ রয়েছে।

সাধারণ কারণগুলো হল:

• দাঁত হারানো: যদি কোন কারণে দাঁত পড়ে যায় বা উঠিয়ে ফেলা হয় এবং পরবর্তীতে সেখানে নতুন দাঁত প্রতিস্থাপন না করা হয়, তাহলে সেই জায়গায় গ্যাপ দেখা দিতে পারে।

• দাঁতের অবিন্যস্ততা: জন্মগতভাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দাঁত সঠিকভাবে সাজানো থাকে না, যার ফলে দাঁতের মাঝে গ্যাপ দেখা দিতে পারে।

• মাড়ির রোগ: দীর্ঘদিন ধরে দাঁতের মাড়িতে রোগ থাকলে মাড়ি ক্ষয় হয়ে যায়, এবং এর ফলেও দাঁতের মাঝে গ্যাপ দেখা দিতে পারে।

অন্যান্য কারণগুলো হল:

  • জিহ্বা থ্রাস্টিং: জিহ্বা বারবার দাঁতের সামনে ঠেলে দিলে দাঁতের মাঝে ফাঁক তৈরি হতে পারে।
  • অতিরিক্ত চাপ: দাঁত বারবার ঘষা বা খিঁচুনি দিলে দাঁতের মাঝে ফাঁক তৈরি হতে পারে।
  • কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দাঁতের মাঝে ফাঁক তৈরি হতে পারে।

দাঁতের মাঝে গ্যাপ আপনার চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে এবং খাওয়া-দাওয়ায় অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।

দাঁতের মাঝে গ্যাপের চিকিৎসা:

  • ব্রেসেস: ব্রেসেস দাঁতকে সঠিক অবস্থানে সাজাতে ব্যবহার করা হয়।
  • ইনভিজিলাইন: ইনভিজিলাইন হলো পাতলা, স্বচ্ছ প্লাস্টিকের তৈরি ট্রে যা দাঁতকে সঠিক অবস্থানে সাজাতে ব্যবহার করা হয়।
  • ডেনচার: ডেনচার হলো কৃত্রিম দাঁতের সেট যা দাঁতের মাঝে ফাঁক পূরণ করতে ব্যবহার করা হয়।
  • ব্রিজ: ব্রিজ হলো কৃত্রিম দাঁত যা দাঁতের মাঝে ফাঁক পূরণ করতে এবং পাশের দাঁতকে সহায়তা করতে ব্যবহার করা হয়।
  • ইমপ্লান্ট: ইমপ্লান্ট হলো কৃত্রিম দাঁতের মূল যা চোয়ালের হাড়ের মধ্যে স্থাপন করা হয়।

আপনার জন্য কোন চিকিৎসা পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা নির্ধারণ করতে একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

ফাইবার ব্রিজের সুবিধা:

চিবানোর ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে: অনুপস্থিত দাঁতের কারণে চিবানোতে সমস্যা হতে পারে। ফাইবার ব্রিজ এই সমস্যা সমাধান করে আপনার চিবানোর ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে।

উন্নত চেহারা: অনুপস্থিত দাঁত আপনার মুখের গঠন নষ্ট করে এবং আপনার হাসি কুৎসিত করে তুলতে পারে। ফাইবার ব্রিজ আপনার হারিয়ে যাওয়া দাঁত প্রতিস্থাপন করে আপনার চেহারার গঠন এবং হাসি উন্নত করে।

উন্নত মৌখিক স্বাস্থ্য: অনুপস্থিত দাঁতের ফলে খাবার আটকে থাকতে পারে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটতে পারে। ফাইবার ব্রিজ এই সমস্যা সমাধান করে আপনার মৌখিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকাল কতদিনের?

সাধারণভাবে, ফাইবার ব্রিজ সঠিক যত্নের সাথে ১০-১৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ফাইবার ব্রিজের চিকিৎসার খরচ কত?

বাংলাদেশে চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা, দাঁতের অবস্থান ও ক্লিনিকের লোকেশন ভেদে ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার খরচ ৳ ২০,০০০ থেকে ৳ ৩০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে।

ফাইবার ব্রিজের যত্ন কিভাবে নিতে হয়?

ফাইবার ব্রিজ দীর্ঘস্থায়ী এবং সুন্দর হাসি বজায় রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং:

  • দিনে দুবার, ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে ব্রিজ এবং আপনার প্রাকৃতিক দাঁত ব্রাশ করুন।
  • ব্রিজের চারপাশে এবং নীচে প্লেক এবং ব্যাকটেরিয়া জমা রোধ করতে প্রতিদিন ফ্লস করুন।

নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ:

  • প্রতি ৬ মাস অন্তর নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপের জন্য যান।
  • দাঁতের ডাক্তার ব্রিজ পরীক্ষা করবেন এবং সম্ভাব্য সমস্যাগুলি দ্রুত শনাক্ত করবেন।

কঠিন খাবার এড়িয়ে চলা:

  • বাদাম, বরফ, কঠিন মিষ্টান্ন ইত্যাদি কঠিন খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • খাবারগুলি ব্রিজ ভেঙে ফেলতে পারে।

ধূমপান ত্যাগ করা:

  • ধূমপান মাড়ির রোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং ব্রিজের স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়।
  • ধূমপান ত্যাগ করা আপনার ব্রিজ এবং আপনার সামগ্রিক মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

অন্যান্য টিপস:

  • ব্রিজের উপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • নিয়মিত মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
  • অ্যাসিডযুক্ত খাবার ও পানীয় সীমিত করুন।
  • রাতে ব্রাশ করার পর ফ্লোরাইডযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।

আপনার ফাইবার ব্রিজের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। মনে রাখবেন, নিয়মিত যত্ন আপনার ফাইবার ব্রিজকে দীর্ঘস্থায়ী এবং সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে।

ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসা বিষয়ক কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর:

ফাইবার ব্রিজ হলো হারানো দাঁত প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি নন-সার্জিকাল বিকল্প। এটি গ্লাস ফাইবার এবং কম্পোজিট দিয়ে তৈরি, যা ন্যাচারাল দাঁতের মতই দেখতে লাগে।

যাদের একটি দাঁত নেই এবং পাশে ন্যাচারাল দাঁত আছে। যারা দাঁত রুট ক্যানেল করতে চাচ্ছেন না।

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না। পাশের দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না। মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসা সম্পন্ন করা যায়। চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যাথামুক্ত।

স্থায়িত্ব: তুলনামূলক কম স্থায়ী, ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।
ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা: ক্যাপ ব্রিজের তুলনায় ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং: দিনে দুবার ব্রাশ করুন এবং একবার ফ্লস করুন।
নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ: প্রতি ৬ মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যান।
কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন: বরফ, বাদাম, এবং কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন।

ব্রিজের অবস্থান এবং ডেন্টিস্টের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে খরচ পরিবর্তিত হয়। ৳ ৩০,০০০ – ৳ ৮০,০০০ পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
তবে, টেক ডেন্টালে এই চিকিৎসার খরচ ৳ ৩০,০০০

যত্ন এবং ব্যবহারের উপর নির্ভর করে স্থায়িত্ব পরিবর্তিত হয়। সাধারনত ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।

ক্যাপ ব্রিজ: দীর্ঘস্থায়ী এবং কম ব্যয়বহুল, কিন্তু ন্যাচারাল দাঁতকে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং কাটতে হয়।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট: দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প, কিন্তু সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল এবং সার্জারির প্রয়োজন।

ডেন্টিস্টের সাথে কনসাল্টেশন: আপনার জন্য ফাইবার ব্রিজ উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করবেন।
দাঁতের শিকড় তোলা: ফাঁকা স্থানে যদি আগের দাঁতের শিকড় রয়ে যায় তবে তা আগে তুলতে হবে। এবং ৭-১৪ দিন পরে ঘা শুকালে উক্ত স্থানে ফাইবার ব্রিজ করা যাবে।

তৎক্ষণ ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
ডেন্টিস্ট ব্রিজ মেরামত করবেন অথবা প্রতিস্থাপন করবেন।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে। আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন ফাইবার ব্রিজ আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করতে।

আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝে বড় ফাঁকা থাকে,আপনি এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হন এবং নতুন দাঁত লাগাতে বা বাধাতে চান,তাহলে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনাকে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসার বিকল্প সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারবেন।

ফাইবার ব্রিজ পদ্ধতিতে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসার জন্য টেক ডেন্টাল এর মত ডেন্টাল ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের ঢাকায় মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী মালিবাগের শাখা রয়েছে । যোগাযোগের নাম্বারঃ ০৯৬৩৮-০০০৫০৫