Largest Dental Chain in Bangladesh

Largest Dental Chain in Bangladesh

জনপ্রিয় নন-সার্জিক্যাল পদ্ধতি, ফাইবার ব্রিজ মাত্র ১ দিনে, সাশ্রয়ী মূল্যে এবং আরামদায়কভাবে পরে যাওয়া দাঁতের জায়গায় নতুন দাঁত লাগানোর উপায়।

আমাদের দাঁত ভেঙে যাওয়া বা উঠে যাওয়া আমাদের খাওয়া-দাওয়া এবং মুখের সৌন্দর্যকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করে। কৃত্রিম উপায়ে নতুন দাঁত লাগিয়ে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। এই আর্টিকেলে আমরা নকল দাঁত লাগানোর উপায় ও খরচ সম্পর্কে আলোচনা করব।

নকল দাঁত লাগানোর উপায়:

  • ডেনচার: পুরো মুখের জন্য অথবা আংশিকভাবে ব্যবহার করা যায়। এটি খোলা-পরা যায় এবং রাতে ঘুমের সময় খুলে রাখা উচিত।
  • ব্রিজ: দুই বা ততোধিক সুস্থ দাঁতের উপর নির্ভর করে কৃত্রিম দাঁত স্থাপন করা হয়।
  • ইমপ্লান্ট: চোয়ালের হাড়ের মধ্যে স্ক্রু লাগিয়ে কৃত্রিম দাঁত স্থাপন করা হয়। এটি স্থায়ী সমাধান এবং দেখতেও স্বাভাবিক

নকল দাঁত লাগানোর খরচ:

  • ডেনচার: ৳১০,০০০ – ৳৫০,০০০
  • ব্রিজ: ৳২০,০০০ – ৳৩০,০০০
  • ইমপ্লান্ট: ৳৫০,০০০ – ৳২,০০,০০০

খরচ নির্ভর করে:

  • দাঁতের সংখ্যা
  • ব্যবহৃত উপকরণ
  • ডেন্টিস্টের অভিজ্ঞতা
  • ক্লিনিকের অবস্থান

কোন পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত তা নির্ধারণ করতে একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

ক্যাপ ব্রিজ এবং ফাইবার ব্রিজের মধ্যে পার্থক্য কি কি?

ক্যাপ ব্রিজ ফাইবার ব্রিজের

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয়

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না।

পাশের ভালো দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয়।

পাশের ভালো দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না।

৩/৪ ভিজিট ডেন্টাল ক্লিনিকে আসতে হয়।

মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসাটি করা যায়।

তুলনামূলক কম কালার ম্যাচিং হয়।

 বেশী কালার ম্যাচিং হয়।

পোর্সেলিন ধাতু দিয়ে ক্যাপ তৈরি করা হয়।

গ্লাস ফাইবার ও কম্পোজিট দিয়ে ফাইবার ব্রিজ তৈরী করা হয়।

 তুলনামূলক কম আরামদায়ক।

তুলনামূলক বেশী আরামদায়ক।

তুলনামূলক বেশী স্থায়ী (১৫-২০ বছর)।

তুলনামূলক কম স্থায়ী (১০-১৫ বছর)।

চিকিৎসাটি সম্পূর্ন ব্যথামুক্ত নয়।

 চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত।

এই পদ্ধতিতে পাশাপাশি থাকা একাধিক মিসিং দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।

এই পদ্ধতিতে ১ টি মাত্র মিসিং দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।

 সামনের দাঁতের ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং দাঁতকে কেটে ছোট করতে হয়।

সামনের ক্ষেত্রে দাঁতকে কোনো প্রকার কাটাকাটি করতে হয় না।

 মাড়ির দাঁতের ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং দাঁতকে কেটে ছোট করতে হয়।

মাড়ির দাঁতের ক্ষেত্রে ফাইবার বসানোর জন্য দাঁতকে অল্প পরিমান কাটতে হয়, এত অল্প কাটা হয় যতটুকু কাটলে রোগী কোনো ব্যথা পায় না।

ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট এবং ফাইবার ব্রিজের মধ্যে পার্থক্য কি কি?

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট ফাইবার ব্রিজের

সার্জিকাল পদ্ধতিতে টাইটানিয়াম স্ক্রু চোয়ালে বসিয়ে নতুন দাঁত লাগানো হয়।

ননসার্জিকাল পদ্ধতিতে গ্লাস ফাইবার ও কম্পোজিট দিয়ে ফাইবার ব্রিজ তৈরী করা হয়।

পাশের দাঁতের সাপোর্ট এর প্রয়োজন হয় না সরাসরী চোয়ালে স্ক্রু বসিয়ে দাঁত লাগানো হয়।

পাশের দাঁতের সাপোর্ট এর প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসার জন্য ৩-৬ মাস সময় এবং ৩-৪ টা ভিজিট প্রয়োজন।

মাত্র ১ ভিজিট এবং ১-২ ঘন্টায় চিকিৎসাটি করা সম্ভব।

 তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যয়বহুল।

তুলনামূলক ভাবে কম ব্যয়বহুল।

দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

তুলনামূলক ভাবে কম দীর্ঘস্থায়ী (১০-১৫ বছর)।

সার্জারি প্রয়োজন।

সার্জারি প্রয়োজন নেই।

ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার সুবিধা গুলো কি কি?

ফাইবার ব্রিজের কিছু সুবিধা:

১. ব্যাথা মুক্ত:

  • ফাইবার ব্রিজে পদ্ধতিতে চিকিৎসায় কোন ব্যথা বা অস্বস্তি নেই
  • পাশের কোন ভাল দাঁত কাটার প্রয়োজন পড়ে না

২. দ্রুত:

৩. সহজ:

  • ফাইবার ব্রিজের চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ এবং অল্প সময়ে করা সম্ভব।

৪. সাশ্রয়ী:

৫. স্থায়ী:

  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ যত্ন নিলে অনেক সময় ধরে এই চিকিৎসাটির স্থায়িত্ব থাকে।

৬. সৌন্দর্যবোধ:

  • ফাইবার ব্রিজের চিকিৎসায় লাগানো নতুন দাতটি দেখতে অন্যান্য ন্যাচারাল দাঁতের মতোই মনে হয়

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকাল কতদিনের?

সাধারণভাবে, ফাইবার ব্রিজের সঠিক যত্নের সাথে ১০-১৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসা বিষয়ক কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর:

ফাইবার ব্রিজ হলো হারানো দাঁত প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি নন-সার্জিকাল বিকল্প। এটি গ্লাস ফাইবার এবং কম্পোজিট দিয়ে তৈরি, যা ন্যাচারাল দাঁতের মতই দেখতে লাগে।

যাদের একটি দাঁত নেই এবং পাশে ন্যাচারাল দাঁত আছে। যারা দাঁত রুট ক্যানেল করতে চাচ্ছেন না।

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না। পাশের দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না। মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসা সম্পন্ন করা যায়। চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যাথামুক্ত।

স্থায়িত্ব: তুলনামূলক কম স্থায়ী, ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।
ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা: ক্যাপ ব্রিজের তুলনায় ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং: দিনে দুবার ব্রাশ করুন এবং একবার ফ্লস করুন।
নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ: প্রতি ৬ মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যান।
কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন: বরফ, বাদাম, এবং কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন।

ব্রিজের অবস্থান এবং ডেন্টিস্টের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে খরচ পরিবর্তিত হয়। ৳ ৩০,০০০ – ৳ ৮০,০০০ পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
তবে, টেক ডেন্টালে এই চিকিৎসার খরচ ৳ ২৫,০০০ 

যত্ন এবং ব্যবহারের উপর নির্ভর করে স্থায়িত্ব পরিবর্তিত হয়। সাধারনত ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।

ক্যাপ ব্রিজ: দীর্ঘস্থায়ী এবং কম ব্যয়বহুল, কিন্তু ন্যাচারাল দাঁতকে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং কাটতে হয়।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট: দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প, কিন্তু সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল এবং সার্জারির প্রয়োজন।

ডেন্টিস্টের সাথে কনসাল্টেশন: আপনার জন্য ফাইবার ব্রিজ উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করবেন।
দাঁতের শিকড় তোলা: ফাঁকা স্থানে যদি আগের দাঁতের শিকড় রয়ে যায় তবে তা আগে তুলতে হবে। এবং ৭-১৪ দিন পরে ঘা শুকালে উক্ত স্থানে ফাইবার ব্রিজ করা যাবে।

তৎক্ষণ ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
ডেন্টিস্ট ব্রিজ মেরামত করবেন অথবা প্রতিস্থাপন করবেন।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে। আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন ফাইবার ব্রিজ আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করতে।

মনে রাখবেন, নিয়মিত যত্ন আপনার ফাইবার ব্রিজকে দীর্ঘস্থায়ী এবং সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে।

আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝে বড় ফাঁকা থাকে,আপনি এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হন এবং নতুন দাঁত লাগাতে বা বাধাতে চান,তাহলে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনাকে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসার বিকল্প সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারবেন।

ফাইবার ব্রিজ পদ্ধতিতে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসার জন্য টেক ডেন্টাল এর মত ডেন্টাল ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের ঢাকায় মিরপুরউত্তরাবাড্ডাযাত্রাবাড়ী ও মালিবাগের শাখা রয়েছে । যোগাযোগের নাম্বারঃ ০৯৬৩৮-০০০৫০৫