Largest Dental Chain in Bangladesh

Largest Dental Chain in Bangladesh

দুই দাঁতের মাঝে গ্যাপ থাকা জায়গায় কম খরচে ১ দিনে নতুন দাঁত সহজেই বাঁধানো সম্ভব পাশের কোন দাঁত না কেটে ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে।

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা

মানুষের জীবনে সুন্দর হাসি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু অযত্নের কারণে অকালে দাঁত হারিয়ে অনেকের হাসি হারিয়ে যায়। সুস্থ ও সুন্দর হাসি ধরে রাখার জন্য দাঁতের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

সচেতনতার অভাব

দুঃখজনকভাবে, অনেকেই দাঁতের যত্ন নিয়মিত গ্রহণ করেন না। ফলে, দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়, যেমন:

  • দাঁতের পঁচা
  • মাড়ির রোগ
  • দাঁতের সংবেদনশীলতা
  • দাঁত হারিয়ে যাওয়া

ফাইবার ব্রিজ: আধুনিক সমাধান

দাঁত হারানোর সমস্যা সমাধানে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান উপহার দিয়েছে ফাইবার ব্রিজ। এটি একটি ব্যথামুক্ত, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের চিকিৎসা পদ্ধতি।

সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফাইবার ব্রিজ ব্যবহার

নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা, ফ্লস করা এবং ডেন্টিস্টের কাছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর মাধ্যমে আমরা দাঁতের যত্ন নিতে পারি। অকালে দাঁত হারিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ফাইবার ব্রিজ একটি কার্যকর সমাধান। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা সুস্থ ও সুন্দর হাসি ধরে রাখতে পারি।

মনে রাখবেন:

  • দাঁতের যত্ন নিয়মিত গ্রহণ করুন
  • অকালে দাঁত হারানোর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকুন
  • ফাইবার ব্রিজ সম্পর্কে জানুন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের সাথে পরামর্শ করুন

সুস্থ দাঁত, সুন্দর হাসি, সুন্দর জীবন!

fiber bridge in dhaka

নতুন দাঁত লাগানোর ক্ষেত্রে ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসার সুবিধা গুলো কি কি? 

ফাইবার ব্রিজের সুবিধা:

দ্রুত প্রক্রিয়া:

  • একই দিনে স্থাপন করা সম্ভব
  • রোগীর অসুবিধার সময় কমিয়ে দেয়
  • দীর্ঘ অপেক্ষার সময় বা একাধিক অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন নেই

ন্যাচারাল ইন্টিগ্রেশন:

  • দাঁতের সাথে সহজে মিশে যায়
  • দেখতেও প্রাকৃতিক

অন্যান্য সুবিধা:

  • হালকা এবং আরামদায়ক
  • স্থাপন করা সহজ
  • অস্বস্তি কম করে
  • অন্যান্য ব্রিজের চেয়ে কম খরচে স্থাপন করা হয়

দ্রুততা:

  • টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী
  • অন্যান্য ব্রিজের তুলনায় দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকে
  • ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম

কার্যকারিতা:

  • এক বা একাধিক অনুপস্থিত দাঁত প্রতিস্থাপন করতে ব্যবহার করা যেতে পারে

বায়োকেমিস্ট্রি:

  • জৈব-সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • দেহের সাথে মিশে যায়
  • অ্যালার্জির ঝুঁকি কম
  • অন্যান্য ব্রিজের তুলনায় নিরাপদ

সহজ রক্ষণাবেক্ষণ:

  • নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং দিয়ে সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়
  • ঐতিহ্যবাহী ব্রিজের তুলনায় পরিষ্কার করা সহজ এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়

ফাইবার ব্রিজের সারসংক্ষেপ:

  • দ্রুত স্থাপন করা যায়
  • প্রাকৃতিক দেখায়
  • আরামদায়ক
  • কম খরচে স্থাপন করা যায়
  • দীর্ঘস্থায়ী
  • নিরাপদ
  • রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ

ফাইবার ব্রিজ  আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা জানতে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকাল কতদিনের?

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্ব:

সঠিক যত্নের সাথে, ফাইবার ব্রিজ সাধারণত ১০-১৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, এটি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

ফাইবার ব্রিজের স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করে এমন বিষয়গুলি:

  • রোগীর মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি: নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং ব্রিজের দীর্ঘায়ু বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
  • ব্রিজের উপর চাপ: ব্রিজের উপর অতিরিক্ত চাপ, যেমন দাঁত Grinding বা কঠিন খাবার খাওয়া, এটিকে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
  • ব্রিজের উপাদান: উচ্চ-মানের উপাদান দিয়ে তৈরি ব্রিজগুলি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
  • দাঁতের ডাক্তারের দক্ষতা: ব্রিজ স্থাপনের দক্ষতাও এর স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করে।

ফাইবার ব্রিজের দীর্ঘায়ু বৃদ্ধির জন্য টিপস:

  • নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং করুন।
  • নিয়মিত দাঁতের চেক-আপ এবং পরিষ্কার করুন।
  • কঠিন খাবার খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন।
  • দাঁত Grinding এড়াতে রাতের Mouthguard ব্যবহার করুন।
  • ধূমপান ত্যাগ করুন, কারণ এটি ব্রিজের ক্ষতি করতে পারে।

আপনার ফাইবার ব্রিজ যত্ন সহকারে ব্যবহার করলে দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকবে।

প্রচলিত ক্যাপ ব্রিজ ও ফাইবার ব্রিজের পার্থক্যঃ

ক্যাপ ব্রিজ ফাইবার ব্রিজের

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয়

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না।

পাশের ভালো দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয়।

পাশের ভালো দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না।

৩/৪ ভিজিট ডেন্টাল ক্লিনিকে আসতে হয়।

মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসাটি করা যায়।

তুলনামূলক কম কালার ম্যাচিং হয়।

 বেশী কালার ম্যাচিং হয়।

পোর্সেলিন ধাতু দিয়ে ক্যাপ তৈরি করা হয়।

গ্লাস ফাইবার ও কম্পোজিট দিয়ে ফাইবার ব্রিজ তৈরী করা হয়।

 তুলনামূলক কম আরামদায়ক।

তুলনামূলক বেশী আরামদায়ক।

তুলনামূলক বেশী স্থায়ী (১৫-২০ বছর)।

তুলনামূলক কম স্থায়ী (১০-১৫ বছর)।

চিকিৎসাটি সম্পূর্ন ব্যথামুক্ত নয়।

 চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত।

এই পদ্ধতিতে পাশাপাশি থাকা একাধিক মিসিং দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।

এই পদ্ধতিতে ১ টি মাত্র মিসিং দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।

 সামনের দাঁতের ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং দাঁতকে কেটে ছোট করতে হয়।

সামনের ক্ষেত্রে দাঁতকে কোনো প্রকার কাটাকাটি করতে হয় না।

 মাড়ির দাঁতের ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং দাঁতকে কেটে ছোট করতে হয়।

মাড়ির দাঁতের ক্ষেত্রে ফাইবার বসানোর জন্য দাঁতকে অল্প পরিমান কাটতে হয়, এত অল্প কাটা হয় যতটুকু কাটলে রোগী কোনো ব্যথা পায় না।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট ও ফাইবার ব্রিজের পার্থক্যঃ

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট ফাইবার ব্রিজের

সার্জিকাল পদ্ধতিতে টাইটানিয়াম স্ক্রু চোয়ালে বসিয়ে নতুন দাঁত লাগানো হয়।

ননসার্জিকাল পদ্ধতিতে গ্লাস ফাইবার ও কম্পোজিট দিয়ে ফাইবার ব্রিজ তৈরী করা হয়।

পাশের দাঁতের সাপোর্ট এর প্রয়োজন হয় না সরাসরী চোয়ালে স্ক্রু বসিয়ে দাঁত লাগানো হয়।

পাশের দাঁতের সাপোর্ট এর প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসার জন্য ৩-৬ মাস সময় এবং ৩-৪ টা ভিজিট প্রয়োজন।

মাত্র ১ ভিজিট এবং ১-২ ঘন্টায় চিকিৎসাটি করা সম্ভব।

 তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যয়বহুল।

তুলনামূলক ভাবে কম ব্যয়বহুল।

দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

তুলনামূলক ভাবে কম দীর্ঘস্থায়ী (১০-১৫ বছর)।

সার্জারি প্রয়োজন।

সার্জারি প্রয়োজন নেই।

ফাইবার ব্রিজ চিকিৎসা বিষয়ক কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর:

ফাইবার ব্রিজ হলো হারানো দাঁত প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি নন-সার্জিকাল বিকল্প। এটি গ্লাস ফাইবার এবং কম্পোজিট দিয়ে তৈরি, যা ন্যাচারাল দাঁতের মতই দেখতে লাগে।

যাদের একটি দাঁত নেই এবং পাশে ন্যাচারাল দাঁত আছে। যারা দাঁত রুট ক্যানেল করতে চাচ্ছেন না।

ন্যাচারাল দাঁত কাটতে হয় না। পাশের দাঁত রুট ক্যানেল করতে হয় না। মাত্র ১ দিনেই চিকিৎসা সম্পন্ন করা যায়। চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ ব্যাথামুক্ত।

স্থায়িত্ব: তুলনামূলক কম স্থায়ী, ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।
ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা: ক্যাপ ব্রিজের তুলনায় ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

নিয়মিত ব্রাশিং এবং ফ্লসিং: দিনে দুবার ব্রাশ করুন এবং একবার ফ্লস করুন।
নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ: প্রতি ৬ মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যান।
কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন: বরফ, বাদাম, এবং কঠিন খাবার এড়িয়ে চলুন।

ব্রিজের অবস্থান এবং ডেন্টিস্টের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে খরচ পরিবর্তিত হয়। ৳ ৩০,০০০ – ৳ ৮০,০০০ পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
তবে, টেক ডেন্টালে এই চিকিৎসার খরচ ৳ ৩০,০০০

যত্ন এবং ব্যবহারের উপর নির্ভর করে স্থায়িত্ব পরিবর্তিত হয়। সাধারনত ১০-১৫ বছর স্থায়ী হতে পারে।

ক্যাপ ব্রিজ: দীর্ঘস্থায়ী এবং কম ব্যয়বহুল, কিন্তু ন্যাচারাল দাঁতকে রুট ক্যানেল করতে হয় এবং কাটতে হয়।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট: দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প, কিন্তু সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল এবং সার্জারির প্রয়োজন।

ডেন্টিস্টের সাথে কনসাল্টেশন: আপনার জন্য ফাইবার ব্রিজ উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করবেন।
দাঁতের শিকড় তোলা: ফাঁকা স্থানে যদি আগের দাঁতের শিকড় রয়ে যায় তবে তা আগে তুলতে হবে। এবং ৭-১৪ দিন পরে ঘা শুকালে উক্ত স্থানে ফাইবার ব্রিজ করা যাবে।

তৎক্ষণ ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
ডেন্টিস্ট ব্রিজ মেরামত করবেন অথবা প্রতিস্থাপন করবেন।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে। আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন ফাইবার ব্রিজ আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করতে।

আপনার ফাইবার ব্রিজের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে আপনার দাঁতের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। মনে রাখবেন, নিয়মিত যত্ন আপনার ফাইবার ব্রিজকে দীর্ঘস্থায়ী এবং সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে।

আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝে বড় ফাঁকা থাকে,আপনি এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হন এবং নতুন দাঁত লাগাতে বা বাধাতে চান,তাহলে একজন দাঁতের ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনাকে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসার বিকল্প সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারবেন।

ফাইবার ব্রিজ পদ্ধতিতে নতুন দাঁত লাগানোর চিকিৎসার জন্য টেক ডেন্টাল এর মত ডেন্টাল ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের ঢাকায় মিরপুরউত্তরাবাড্ডাযাত্রাবাড়ী ও মালিবাগের শাখা রয়েছে । যোগাযোগের নাম্বারঃ ০৯৬৩৮-০০০৫০৫