01400-786162 , 01400-786163
tech dental final logo
ডেন্টাল ইমপ্লান্ট চিকিৎসা

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট কীঃ ডেন্টাল ইমপ্লান্ট হলো টাইটানিয়াম বা টাইটানিয়াম সংকর ধাতুর ছোট স্ক্রু, যা হারানো দাঁত প্রতিস্থাপনে ব্যবহৃত হয়। টাইটানিয়াম হলো একমাত্র ধাতু, যা আমাদের দেহ কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই গ্রহণ করে এবং হাড়কে এর চারপাশে বাড়তে দেয়। শরীরে টাইটানিয়াম আরও অনেক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়, যেমন-এর প্লেট ও স্ক্রু ভাঙা হাড় জোড়া দিতে বা শরীরের কৃত্রিম জোড়া সন্ধি বানাতে ইত্যাদি।

ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট কেন করা হয়ঃ  যদি কারো অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দাঁত পড়ে অথবা ভেঙ্গে যায় তখন দাঁতের সৌন্দর্যটা নষ্ট হয় এজন্য ওই ফাঁকা জায়গায় ডেন্টাল ইমপ্লান্ট চিকিৎসা করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ  ডেন্টাল ইমপ্লান্ট চিকিৎসার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।   

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট চিকিৎসা

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট এর সুবিধাঃ ডেন্টাল ইমপ্লান্টের বিভিন্ন সুবিধার মধ্যে রয়েছে:

  • চিবানোর ক্ষমতা উন্নত। 
  • ইমপ্লান্ট ঠিক রাখতে দাঁতের আঠালোর প্রয়োজন নেই, যেমন ডেনচারের ক্ষেত্রে।
  • ডেন্টাল ব্রিজের ক্ষেত্রে সংলগ্ন দাঁতের কোনো ক্ষতি হয় না, যেখানে পাশের দাঁতগুলোকে পিষে নিতে হয়। 
  • ডেন্টাল ইমপ্লান্ট ক্ষয় বা গহ্বর পায় না। 

ইমপ্ল্যান্ট এর অসুবিধাঃ

  • আমাদের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ব্যয় বহুল।
  • সময় সাপেক্ষ।
  •  শরীরে অনিয়ন্ত্রিত কোন রোগ থাকলে বা বাড়ন্ত বয়সে (১৬-১৮ বছরের পূর্বে) ইমপ্ল্যান্ট সার্জারী করা যায় না।

কারা নেবেন এই চিকিৎসাঃ যাদের মুখে ১টি থেকে ২টি অথবা কোন দাঁত নেই, তাদের জন্যই ডেন্টাল ইমপ্লান্ট। যদিও হারানো দাঁতকে অনেকভাবে প্রতিস্থাপন করা যায়, যেমন-ডেন্টাল ব্রিজ বা ডেনচারের মাধ্যমে। যাদের মুখে কোনো দাঁত নেই, তারা সাধারণত বাঁধানো দাঁতের পাটি বা কমপ্লিট ডেনচার ব্যবহার করে; যা আকারে বেশ বড় হওয়ায় অনেক সময় মুখে ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে, ভালোমতো খাওয়া-দাওয়া তো দূরের কথা। এসব রোগীর জন্য ডেন্টাল ইমপ্লান্ট আশীর্বাদস্বরূপ।

এটা ঠিক স্বাভাবিক দাঁতের মতোই তো হবেঃ  আসলে প্রাকৃতিক জিনিসের কোনো বিকল্প নেই। ইমপ্লান্ট প্রাকৃতিকের কাছাকাছি হতে পারে। সে জন্য বলা হয়, এ পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত দাঁত প্রতিস্থাপনের জন্য।

কত দিনে  পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হয়ঃ প্রথমত, আমরা রোগী নির্বাচন করে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নেয়া  হয়। এটি করে একটি সময় রোগীকে বলে দেয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এটি এত সহজ একটি দাঁত তুলতে যতটুকু কষ্ট না হয়, তার চেয়েও বিষয়টি সহজ। অনেক কঠিন সার্জারি দুই-তিন ঘণ্টাও লেগে যায়। সে ক্ষেত্রে প্রথমে জায়গাটিকে নির্বাচন করা হয় , লোকাল অ্যানেসথেশিয়া দিয়ে ড্রিল করা হয়। এরপর ইমপ্ল্যান্টের আকার কী, কত ডায়ামিটারের লাগবে এটা আগে থেকেই দেখা হয়।

এরপর প্রথম সার্জারি। দ্বিতীয়বার এক সপ্তাহ পরে, দুই সপ্তাহ পরে, তিন সপ্তাহ পরে। এরমধ্যে একটি হিলিং ক্যাপ লাগানো থাকে, সেটা খুলে আসল ফিক্সারটা বসিয়ে দেয়া হয় ।এরপর  তার ওপর মাপ  ক্রাউন করে দেয়া হয়,  এটা শেষ পর্যন্ত স্বাভাবিক দাঁতের মতোই থাকে । এই িচিকৎসািট ৪ হেত ৬ মাস সময় িনেয় করেত হয়।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট বিভিন্ন ধরনেরঃ  ডেন্টাল ইমপ্লান্ট দুই ধরনের আছে:

  • এন্ডোস্টিয়াল ইমপ্লান্ট: এগুলি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ডেন্টাল ইমপ্লান্ট। ডেন্টাল সার্জন তাদের চোয়ালের হাড়ের উপর ঢোকান, এবং প্রতিটি ইমপ্লান্ট এক বা একাধিক কৃত্রিম দাঁত ধারণ করতে পারে।
  • সাবপেরিঅস্টিয়াল ইমপ্লান্ট: এই ধরনের ডেন্টাল ইমপ্লান্ট চোয়ালের হাড়ের উপরে কিন্তু মাড়ির টিস্যুর নিচে স্থাপন করা হয়। এই বিকল্পটি শুধুমাত্র তাদের জন্য বিবেচনা করা হয় যাদের একটি এন্ডোস্টিয়াল ইমপ্লান্ট সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর চোয়ালের হাড় উপলব্ধ নেই এবং খুব কমই ব্যবহার করা হয়।

 ডেন্টাল ইমপ্লান্ট সার্জারির মোট খরচঃ  প্রতি ডেন্টাল ইমপ্লান্টে প্রায় ৫০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বিভিন্ন ক্লিনিকে খরচ ভিন্ন হয়।

ডেন্টাল ইমপ্লান্ট টেক ডেন্টালে কেন করবেনঃ  আমরা প্রত্যেক রোগীর জন্য আলাদা আলাদা  যন্ত্রপাতি একবার ব্যবহার করি যা দ্বিতীয়বার  আর ব্যবহার হয় না। সম্মানিত রোগীদের জন্য যন্ত্রপাতি গুলো সর্বোচ্চ জীবনমুক্তকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি। উন্নত মানের ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার নিশ্চিত করি। অভিজ্ঞডেন্টাল সার্জন দ্বারা চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *